দেশ জুড়ে বদল রাজ্যপাল- উপ রাজ্যপাল
কিউ ইন্ডিয়া বাংলাঃ- ৫ মার্চ ২০২৬ রাতে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জারি করা এক নির্দেশিকায় দেশের প্রশাসনিক স্তরে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে সি. ভি. আনন্দ বোস পদত্যাগ করার পর, তাঁর জায়গায় তামিলনাড়ুর বিতর্কিত রাজ্যপাল আর. এন. রবি-কে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
সি. ভি. আনন্দ বোস তাঁর মেয়াদের মাঝপথেই পদত্যাগ করেছেন। তাঁর জায়গায় আসা আর. এন. রবি এর আগে তামিলনাড়ু সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সংঘাতে জড়িয়ে খবরের শিরোনামে ছিলেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এদিকে তামিলনাড়ুতে তৈরি হয়েছে শূন্যস্থান। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, রবির ফেলে আসা বাড়তি দায়িত্ব সামলাবেন কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার।
দিল্লির উপ-রাজ্যপাল হিসেবে বিনয় কুমার সাক্সেনার জায়গায় দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রাক্তন কূটনীতিবিদ তরণজিৎ সিং সান্ধু। অন্যদিকে, বিনয় কুমার সাক্সেনাকে লাদাখের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা সৈয়দ আতা হাসনাইনকে বিহারের রাজ্যপাল করা হয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য প্রশাসনিক পদক্ষেপ।
রদবদল হয়েছে হিমাচল প্রদেশেও। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গর্ভনর (উপরাজ্যপাল), কবিন্দর গুপ্তকে ওই রাজ্য়ের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি।পরিবর্তে লাদাখে লেফটেন্যান্ট গর্ভনর হিসাবে পাঠানো হয়েছে দিল্লির প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট গর্ভনর ভিনাই কুমার সাক্সেনাকে।
তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল জিষ্ণু দেব বর্মাকে নিযুক্ত করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসাবে। এর আগে এই মহারাষ্ট্রের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন। কিন্তু তিনি উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হলে, সেই পদ শূন্য থেকে যায়। এছাড়াও রাজ্যপাল বদল হয়েছে নাগাল্যান্ডে। বিহার বিধানসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ নন্দ কিশোর যাদবকে নিযুক্ত করা হয়েছে সে রাজ্যের রাজ্যপাল হিসাবে।
সরকারিভাবে একে রুটিন রদবদল বলা হলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কিছু রাজ্যে আসন্ন নির্বাচন এবং রাজ্য সরকারগুলোর সাথে রাজভবনের সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই পরিবর্তনগুলো করা হয়েছে।
