আজকের দিনেরাজনীতি

MILAN PRADHAN : নন্দীগ্রামে বিরাট নাটক! মমতার ঘোষণার ১ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার কংগ্রেসের মিলন প্রধান

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, পূর্ব মেদিনীপুর:- নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দিনভর টানটান নাটক। প্রতীক হারানো, মনোনয়ন প্রত্যাহার, সমর্থন ঘোষণা এবং শেষে গ্রেপ্তারি — কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পালাবদল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গ্রেপ্তার হলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান (MILAN PRADHAN)।

শুক্রবার সকালেই বড় ধাক্কা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ঘাসফুল প্রতীক হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দুই শিবিরই। মমতা শিবিরকে দেওয়া হয় ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত শিবির পায় খাম প্রতীক।

এরপর দুপুরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান। বৈঠকের পর হলদিয়ায় ফিরে মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন তিনি। বিকেলে কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা নন্দীগ্রামে লড়ব না, ওখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করছি। সিস্টার পার্টি হিসেবে। রাহুলজির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। আমরা একসঙ্গে লড়াই করে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।” (MILAN PRADHAN)

এই ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যেই আসে বড় মোড়। সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে (MILAN PRADHAN)। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল। প্রায় ১৯ বছরের পুরনো সেই মামলাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনাকে নিছক কাকতালীয় বলে মানতে নারাজ বিরোধীরা। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর অভিযোগ, বিরোধীদের ভয় পেয়েই বিজেপি পুলিশকে দিয়ে এই কাজ করাচ্ছে।

প্রার্থী প্রত্যাহার থেকে সমর্থন এবং সমর্থনের পরেই গ্রেপ্তারি — সব মিলিয়ে নন্দীগ্রামের ভোট-অঙ্ক ঘেঁটে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি কৌশলে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে দেওয়া হল মিলন প্রধানকে? মমতার দলের পর কংগ্রেসও কি আর উপনির্বাচনের ময়দানে থাকছে না? এর ফলে বিজেপির জয়ের রাস্তা আরও চওড়া হয়ে গেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *