আজকের দিনেতিলোত্তমাভারতসুস্থ থাকুন

Dengue : ডেঙ্গি হয়েছে কিনা বুঝবেন কি করে? আর হলে কি কি করবেন, জেনে রাখুন

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া যা বর্তমানে অত্যাধিক (Dengue) পরিমানে ছড়াতে শুরু করেছে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, সর্দি-কাশি, তীব্র গলা ব্যথা, পেটের গোলমাল(Dengue) ইত্যাদি সমস্যায় ভুগছে মানুষ। অতিরিক্ত জ্বরে ভোগার পর যখন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন তখন ধরা পড়ছে (Dengue)বুকে সংক্রমণ বা লিভারের রোগ। প্রাপ্ত বয়স্কদের বিভিন্ন উপসর্গের মাধম্যে জানা যায় রোগের ব্যপারে। কিন্তু শিশুদের (Dengue)ক্ষেত্রে তা সহজে বোঝা যায় না। কোন উপসর্গ ঠিক ভাবে ধরা পড়ে না। তাই শিশুদের ওপর অভিভাবকদের অনেক বেশি(Dengue) সতর্ক থাকতে হবে।

 

ডাক্তারদের চেম্বারে দিন দিন বাড়ছে ছোট থেকে বড়ো বিভিন্ন বয়সের(Dengue) রোগীদের ভিড়। সবাই প্রায় একই রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি ছোটদের ক্ষেত্রে বড়ো (Dengue)আকার নিতে পারে। এই বিষয়ে ICMR -এর প্রাক্তন বিজ্ঞানী দীপিকা শূর জানান, (Dengue)শিশুদের রক্তনালির প্রাচীর খুব স্পর্শকাতর ও সূক্ষ্ম হয়। যার জন্য সহজেই বাচ্চাদের শরীর সহজেই আক্রান্ত হয়।(Dengue) ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সাইটোকাইন নামে এক রাসায়নিকের ক্ষরণ বাড়ে। এই সাইটোকাইন শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। তবে এর পরিমাণ বাড়লে তখন প্রদাহ শুরু হয়। এটি রক্তনালির(Dengue) প্রাচীরকে ভেদ করতে থাকে। ফলে রক্ত থেকে প্লাজমা দ্রুত বার হয়ে বুক ও পেটে জমতে থাকে। প্রাপ্তবয়স্কদের (Dengue)তুলনায় শিশুদের ক্ষেত্রে এই ‘প্লাজমা লিকেজ়’ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঘটতে থাকে।

 

যার ফলে শরীরে জলের পরিমাণের (Dengue)ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এতে রক্তকাপ ক্রমশ কমতে থাকে। এই ধরণের রোগকে বলে  ‘ডেঙ্গি শক সিনড্রোম’। এটি যদি শরীরে একবার কাজ করতে শুরু করে তাহলে তা বিপদের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। বাবা মা কে সন্তানের দিকে ভালো করে খেয়াল(Dengue) রাখতে হবে। শরীর নজরে রাখতে হবে দেখতে হবে শরীরে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কিনা বা কোনো(Dengue) র‍্যাশ বেরোচ্ছে কিনা। এছাড়া শিশুদের দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে কিনা। এই বিষয় গুলো ধরা পড়লে বুঝতে হবে এটা কোনো সাধারণ জ্বর নয়।

 

সংক্রামক রোগ বিষয়ক চিকিৎসকদের দাবি, ডেঙ্গি (Dengue)ভাইরাসের চরিত্র যে ভাবে বদলাচ্ছে, তাতে নতুন কিছু উপসর্গও দেখা দিচ্ছে। পেটের সংক্রমণ, পেটে ব্যথা, বমি, মাথাঘোরা, চোখের সংক্রমণ ইত্যাদি যা অনেক সময় পরিবারের লোকেরা এড়িয়ে যায়। ডেঙ্গি(Dengue) ভাইরাসের কারণে পেটে জল জমে , ফলে ঘন ঘন বমি পায়, ডায়ারিয়া, ডিহাইড্রেশনের মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে দিন দিন। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ৩-৪ দিনের মধ্যে ছোটদের জ্বর না কমলে এবং শরীরে কোনো রকম আলাদা পরিবর্তন চোখে পড়লে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান(Dengue)। সবচেয়ে আগে টেস্ট করাতে হবে। যেমন এনএস১ অ্যান্টিজেন টেস্ট করিয়ে, সিবিসি বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট করিয়ে নিতে হবে। এইসবের পোড়ে যদি জ্বর ৫ বা ৬ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, তবে আইজিএম অ্যান্টিবডি(Dengue) টেস্ট করাতে হবে। নইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *