আজকের দিনেতিলোত্তমাপূজা দর্পনবাংলার আয়না

Chorbagan : চোরবাগান-কাণ্ডে মৃত্যু নিয়ে, শোকের আবহে রাজনীতি করতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলি ?

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে (Chorbagan) পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা বাংলা যখন শোকস্তব্ধ, তখন সেই মৃত্যু নিয়েও রাজনীতি শুরু হল। প্রশাসন যখন উদ্ধারকাজ ও আহতদের চিকিৎসায় ব্যস্ত, তখন প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে শোকের (Chorbagan) আবহে রাজনীতিতে নেমেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাংশ।

 

সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগান (Chorbagan) সর্বজনীনে ভয়াবহ বিপর্যয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ মণ্ডপে ঢোকার মুখে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। শোনা যাচ্ছে যে ওই পূজা মন্ডপের ভিতরে দম বন্ধ কর পরিস্থিতি হয়ে ওঠে একসময় তার সঙ্গে বাইরের বৃষ্টি সব মিলিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়  (Chorbagan)। যার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পদপিষ্ট হয়ে এখনও পর্যন্ত  ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে । বহু মানুষ গুরুতর আহত অবস্থায় কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এই মর্মান্তিক ঘটনার পরেই রাজনৈতিক বিবৃতি দিতে শুরু করে বিরোধী শিবির (Chorbagan)। এক বিবৃতিতে বলা হয়, “উৎসবের মাঝে কলকাতার চোরবাগানে এই ভয়াবহ ঘটনায় আমরা সবাই স্তম্ভিত ও শোকস্তব্ধ।” একই সঙ্গে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয় দ্রুত আহতদের চিকিৎসা এবং স্বচ্ছভাবে মৃত ও আহতদের তালিকা প্রকাশ করার। অন্য এক বিবৃতিতে সরাসরি প্রশাসনকে নিশানা করা হয়। (Chorbagan) অভিযোগ তোলা হয়, “শারদ উৎসবের সময় মানুষকে কখনও এমন বিপন্নতার মুখে পড়তে হয়নি। হাজার হাজার মানুষের ভিড় সামলানোর কোনও দায়িত্ব পুলিশ বা প্রশাসনের ছিল না। এই চূড়ান্ত অপদার্থতার ফলেই এতগুলো (Chorbagan) প্রাণ গেল।”

 

আরও এক বিরোধী নেতার (Chorbagan) মন্তব্যে বলা হয়, “ক্রাউড ম্যানেজমেন্টের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার কারণে ১৯ জন মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। সরকারকে সামনে এসে জবাব দিতে হবে এই ঘটনার দায় কার?”  জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ এই আবহে (Chorbagan) আহতদের চিকিৎসা করতে করতে বাইরে এসে সংবাদ মাধ্যমের কাছে স্বাস্থ্য দপ্তরকে নিশানা করে বিবৃতি দেয় । এই সময়ে (Chorbagan) এই ধরনের মন্তব্য  দায়িত্বজ্ঞান হীনতার পরিচয় দিচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

 

যদিও এই ধরনের মন্তব্য ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, উৎসবের মাঝে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় সহমর্মিতা না দেখিয়ে কেন (Chorbagan)রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে? প্রশাসন যখন আহতদের পাশে দাঁড়িয়ে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিচ্ছে, তখন হেল্পলাইনের নামে আসলে প্রচার কুড়োনোর চেষ্টা চলছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের (Chorbagan)। পুজোর আবহে কলকাতা সহ গোটা বাংলায় এখন বিষাদের সুর । সকলের উচিত এই সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য না করে (Chorbagan) মৃত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা সহমর্মিতা দেখানো উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *