আজকের দিনেপূজা দর্পনবাংলার আয়নাযেদিকে দু-চোখ যায়

Toy Train : পর্যটকদের পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করাতে নতুন করে শুরু হচ্ছে দার্জিলিঙের ‘খেলনা ট্রেন’ পরিষেবা

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : কি ভাবছেন পুজোর ছুটিতে টয় ট্রেনে পাহাড় ঘুরে দেখবেন! (Toy Train) কিন্তু ভরসা পাচ্ছেন না টিকিট পাওয়ার! এবার সেই সব নিয়ে নেই কোনো চিন্তা। সকল উত্তরবঙ্গ পর্যটক বন্ধুদের উদ্দ্যেশে আসছে সুখবর। কচিকাচাদের নিয়ে ঘুরে আসুন টয় ট্রেনের (Toy Train) শহর দার্জিলিং থেকে। ভাবতে হবেনা আর পর্যটকদের ভিড়ের কথা। টিকিট (Toy Train) পেতে হবে না কোনো সমস্যার মুখে পড়তে। পুজোর আবহে চালু হতে চলেছে নতুন ৬টি জয়রাইড। সে বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য (Toy Train) জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানান, পর্যটকদের সহজে পাহাড়ের ঘা বেয়ে ঘুরে অপরূপ দৃশ (Toy Train) উপভোগ করতে পারেন তার জন্য তাদের এই ব্যবস্থা।

 

এই পরিষেবার জন্য দার্জিলিং ও ঘুম স্টেশনের মাঝে ৪টি ডিজেল (Toy Train) ইঞ্জিন চালিত রাউন্ড ট্রিপ জয়রাইড চালু করা হচ্ছে। সফরের প্রস্তাবিত ভাড়া থাকছে আটশো টাকা। কার্শিয়াং ও মহানদীর মধ্যে চালু হচ্ছে দু’টি বিশেষ রাউন্ড ট্রিপ। একটি স্টিম ইঞ্জিন (Toy Train) যার নাম ‘রেড পান্ডা’ ও একটি ডিজেল ইঞ্জিন যার নাম ‘মুক্ত ধারা’। প্রথম, স্টিম ইঞ্জিন চালিত ট্রিপ (Toy Train) সকাল ৯টায় কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে ১০টায় মহানদী থেকে ফিরবে। এই রাইডের ভাড়া রাখা হয়েছে, ১ হাজার ৫৩০ টাকা। দ্বিতীয়, ডিজেল চালিত রাউন্ড ট্রিপ বিকেল সওয়া ৩টায় (Toy Train) কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে ৪টায় মহানদী থেকে ফিরবে। যার ভাড়া রাখা হয়েছে, ১ হাজার ৩০ টাকা।

 

এই টয় ট্রেন বাড়ানোর ফলে যেমন পর্যটকদের সুবিধা (Toy Train) হয়েছে তেমনি ট্রেন চালকের ঘাটতি মেটানোর কথাও ভেবেছেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নতুন সাফারির জন্য ৭০জন চালককে যুক্ত করা হচ্ছে। সাতটি জয়রাইড, জঙ্গল সাফারি-সহ বিভিন্ন (Toy Train) পরিষেবা সামলাচ্ছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, একটি ডিজেল ইঞ্জিনে দু’জন এবং একটি স্টিম ইঞ্জিন চালানোর জন্য (Toy Train) চারজন চালকের প্রয়োজন। তাই পর্যটকদের পরিষেবা দিতে গিয়ে চালকদের ওপর যেন কোনো চাপ না আসে তার জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ জন চালক নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে। দার্জিলিং হিমালয়ান (Toy Train) রেলওয়ের অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরি জানান, উৎসবের দিনগুলিতে পাহাড়ের পর্যটন নতুন ধরনের মাত্রা পাবে। আর এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে চালক নিয়োগের প্রক্রিয়া। তাই দেরি না করে (Toy Train) পুজোর ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে আসুন টয় ট্রেনের শহর দার্জিলিং থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *