Netanyahu : ফ্লাইদুবাই ককপিট হামলার পর বীর পাইলট স্মিতকে ফোন নেতানিয়াহুর
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ হামলা (Netanyahu )। নমাজ পড়ার অছিলায় ককপিটের পিছনে গিয়ে কো-পাইলটের উপর পরপর আঘাত। কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে শতাধিক যাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন পাইলট স্মিত মচ্ছর। সেই রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতার কথা (Netanyahu)শনিবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে জানালেন তিনি। মাঝ আকাশে ঠিক কী হয়েছিল? হাসপাতালের বেডে শুয়েই (Netanyahu)সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন বীর পাইলট স্মিত মচ্ছর।
তিনি জানান, ফ্লাইটের প্রথম দিকে সবকিছু একেবারে স্বাভাবিক ছিল। হঠাৎই তাঁর কো-পাইলট তাঁকে বলেন, (Netanyahu) তিনি প্রার্থনা করবেন। যাত্রী বা পাইলটদের মধ্যে অনেকেই এভাবে প্রার্থনা করে থাকেন, তাই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই নেন স্মিত। কো-পাইলট ককপিটের পিছনের দিকে সরে গিয়ে প্রার্থনা(Netanyahu) শুরু করেন। স্মিত তখন সামনের কন্ট্রোল প্যানেলের দিকে তাকিয়ে বিমান সামলাচ্ছিলেন। এর প্রায় পাঁচ মিনিট পরেই ঘটে সেই ভয়ঙ্কর (Netanyahu)ঘটনা। পিছন থেকে স্মিতের মাথায় প্রচণ্ড একটা আঘাত আসে। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন বিমানে বড়সড় কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে, তার ঝাঁকুনিতেই মাথায় লেগেছে। কিন্তু ভুল ভাঙতে (Netanyahu) সময় লাগেনি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মাথায় একের পর এক এলোপাথাড়ি (Netanyahu) মার আসতে থাকে।
স্মিত বলেন, “আমি ওকে আটকানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে ক্রমাগত মার (Netanyahu)খেয়ে আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারে ঝাপসা হয়ে গেছে। বিমানও হু হু করে নিচে নামতে শুরু করেছে।” রক্তাক্ত অবস্থাতেও হাল ছাড়েননি তিনি। কোনও মতে একবার ককপিটের দরজাটা খুলে দেন তিনি, যাতে (Netanyahu) বাইরে থেকে কেউ সাহায্যে আসতে পারে। কিন্তু হামলাকারী কো-পাইলট সঙ্গে সঙ্গে দরজা আবার বন্ধ করে দেয়। তখনই স্মিত ঠিক করে নেন, (Netanyahu)এটাই শেষ লড়াই। তিনি বলেন, “আমি ঠিক করে নিই, শেষবারের মতো আরেকবার লড়তেই হবে। নয়তো আমি মরে যাব। নিজের সবটুকু (Netanyahu)শক্তি দিয়ে আমি আবার ককপিটের দরজাটা খুলে দিই।”
আর সেই দ্বিতীয়বার দরজা খোলাই হয়ে ওঠে টার্নিং পয়েন্ট। ককপিটের ভিতরে ধস্তাধস্তির (Netanyahu)আওয়াজ পেয়ে যাত্রীরা আগেই ককপিটের কাছে চলে এসেছিলেন। দরজা খুলতেই তাঁরা ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং হামলাকারীকে কাবু করেন। বাকি ঘটনা সকলেরই জানা। কোনও মতে বিমানকে (Netanyahu) নিরাপদে নামানো সম্ভব হয়। বর্তমানে ক্যাপ্টেন মচ্ছর আবু ধাবির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত (Netanyahu)লাগলেও অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
শনিবার তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন (Netanyahu)নেতানিয়াহু। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সেই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রীরা যদি শেষ মুহূর্তে ককপিটে পৌঁছতে না পারতেন, তাহলে মাঝ আকাশে যে কী ভয়াবহ পরিণতি হতে পারত, তা ভেবেই শিউরে উঠছে গোটা (Netanyahu)বিশ্ব। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে (Netanyahu)বড় প্রশ্ন তুলে দিল।
