আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়নারাজনীতি

Police : জইশ নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু! কাঁথি যাওয়ার মুম্বই রোডে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা পুলিশের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তারের পর বড় চাঞ্চল্য। বেঙ্গল এসটিএফের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল। তাঁর গতিবিধির খোঁজখবরও নেওয়া হচ্ছিল। এরপরই কলকাতা থেকে কাঁথির বাড়ি যাওয়ার মুম্বই রোডকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ।

বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার হওয়া হামিম মণ্ডলের দায়িত্ব ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির উপর নজর রাখা। এই তথ্য সামনে আসতেই পুলিশ-প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহান্তে কলকাতা থেকে রাতেই মুম্বই রোড ধরে কাঁথির শান্তিকুঞ্জে ফেরেন। আবার ওই পথেই কলকাতা ফেরেন। ফলে এই রুটকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেলে হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার অমিত বর্মা পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় মুম্বই রোডের হাওড়ার অংশে নিবিড়ভাবে রেইকি করা হবে এবং নাকা চেকিংয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কোনও গাড়ি সন্দেহজনক মনে হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তায় ভিড় বা জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। ভিড় দেখা মাত্রই দ্রুত আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা সরিয়ে দেবেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে ছেলের উপর জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রে উদ্বিগ্ন পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীর বাবা প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারী কাঁথির শান্তিকুঞ্জ থেকে বলেন, “জানতাম এমনটা হবে। আগেই ভারত সরকারের সিক্রেট সার্ভিস সতর্ক করেছিল। বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন জঙ্গি ঢুকেছে। ওরা শুধু শুভেন্দুকে নয়, প্রধানমন্ত্রী মোদিজিকেও টার্গেট করেছে। জঙ্গিরা হায়নার মতো।”

জইশ জঙ্গির গ্রেপ্তারের পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কলকাতা-কাঁথি যাতায়াতের পুরো রাস্তা পুলিশের নজরদারিতে। প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট – নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখা হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *