এক কেন্দ্রে সাত স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া এলাকার বাকুলদা হাই স্কুলকে কেন্দ্র করে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে বিশেষ প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়ছে। এ বছর এই একটি পরীক্ষাকেন্দ্রেই মোট সাতটি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে, ফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে এক কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা দেওয়ানোর জন্য আগেভাগেই কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রথম দিন থেকেই কেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী, পাশাপাশি রয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও শিক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধিরা। স্কুল চত্বরের প্রতিটি প্রবেশপথে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে, যাতে মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ বা কোনও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঢুকতে না পারে। কেন্দ্রে ঢোকা থেকে শুরু করে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নজরে রাখছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও পর্যবেক্ষকেরা। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের শুধু নিরাপত্তা নয়, মানসিকভাবে স্বস্তিতে পরীক্ষা দেওয়াটাও তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। এত কড়া ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও যাতে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ না তৈরি হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
এক-কেন্দ্রে একাধিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীর বসবাস ও পরীক্ষা পরিচালনা যেকোনো সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। এ জন্য প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সামনে থেকেই সতর্কভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হয়। বাকুলদা হাই স্কুল-এ যেসব ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে তা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করছে বলে পরিবেশ দেখা যাচ্ছে।
অভিভাবকরাও এই ব্যবস্থায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছেন, প্রশাসনের তৎপরতার ফলে তাঁদের সন্তানরা নিশ্চিন্তে পরীক্ষা দিতে পারছে। এক কেন্দ্রে সাতটি স্কুলের পরীক্ষা নেওয়া নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ হলেও বাকুলদা হাই স্কুলে গৃহীত এই সুপরিকল্পিত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাধ্যমিক পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবেই সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।
পাঁশকুড়া বাকুলদা হাই স্কুলে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক কেন্দ্রে সাতটি স্কুলকে কেন্দ্র করে ভর্তি হওয়া পরীক্ষার্থীদের সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রশাসন উচ্চ মাত্রার নিরাপত্তা ও তদারকির ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রতিটি ধাপে কড়া নজরদারি ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করেছে শান্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পরিবেশ। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সন্তুষ্টি ইঙ্গিত করছে যে সেই উদ্যোগ যথাযথ ও ফলপ্রসূ হয়েছে।
