আজকের দিনেতিলোত্তমা

আরজি কর তদন্তে প্রশ্নের মাঝেই পদোন্নতি সিবিআই অফিসারের

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- আরজি কর মামলার তদন্ত নিয়ে যখন বারবার প্রশ্ন তুলছে তিলোত্তমার পরিবার, ঠিক সেই সময়েই পদোন্নতি পেলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ থেকে তিনি উন্নীত হলেন পুলিশ সুপার পদে। বৃহস্পতিবার এই পদোন্নতি হয়।

আরজি কর মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসেবে নিয়োগের সময় সীমা পাহুজা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন। পদোন্নতির পর তাঁকে চণ্ডীগড়ের এন্টি করাপশন ব্রাঞ্চ থেকে বদলি করে দিল্লির স্পেশ্যাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (১)-এ পাঠানো হয়েছে। তবে বদলি হলেও আরজি কর মামলার তদন্তের দায়িত্ব তাঁর হাতেই রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সীমা পাহুজার নেতৃত্বে চলা তদন্ত নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও মামলার অগ্রগতি চোখে পড়ছে না। এখনও পরিষ্কার নয়, এই ঘটনায় সঞ্জয় রাই একাই দায়ী, নাকি এর পিছনে অন্য কেউ রয়েছে। প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করা যায়নি বলেই অভিযোগ পরিবারের।
উল্লেখ্য, সিবিআই-এর অন্দরে সীমা পাহুজার পরিচ্ছন্ন ও সৎ ভাবমূর্তি রয়েছে। তদন্তের কাজে দক্ষতার জন্য তিনি দু’বার গোল্ড মেডেল পেয়েছেন। শুধু আরজি কর মামলা নয়, এর আগেও হাথরাস মামলার তদন্তে গঠিত সিবিআই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। সেই সময় তিনি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের সিবিআই দুর্নীতি দমন শাখা বা এন্টি করাপশন ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন।

তবে আরজি কর মামলায় তদন্তের গতি ও দিশা নিয়ে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের ক্ষোভ এখনও কমেনি। সিবিআই-এর ভূমিকা নিয়েও তাঁরা প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছেন। এর মধ্যেই তদন্তকারী অফিসারের পদোন্নতি নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলে মনে করছে একাংশ।
যদিও সিবিআই সূত্রের দাবি, সীমা পাহুজার পদোন্নতি সম্পূর্ণ রুটিন প্রক্রিয়ার অংশ। এর সঙ্গে আরজি কর মামলার তদন্তের কোনও যোগ নেই। তবুও পরিবার ও জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে তদন্তে অগ্রগতি কবে, আর কবে সামনে আসবে পুরো সত্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *