আজকের দিনেতিলোত্তমা

আবার বিতর্কে RG কর, ‘শৌচালয় নেই’, হেঁটে যেতে গিয়ে মৃত্যু বৃদ্ধ রোগীর

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- আবারো খবরের শিরোনামে আর জি কর হাসপাতাল। চিকিৎসা করাতে এসে মৃত্যু হল প্রৌঢ়ের। ৬০ বছর বয়সী বিশ্বজিৎ সামন্ত বিশরপাড়ার বাসিন্দা। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ায় ভোর ৪টে নাগাদ প্রৌঢ়কে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় বলে খবর সূত্রের।

পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আজ ভোর চারটের সময় তাকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।তাদের অভিযোগ, ট্রমা কেয়ারে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রোগীর টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হলে, তাঁকে হাসপাতালের তরফে আর জি কর মেডিক্যালের গেটের পাশে সুলভ শৌচালয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়। পরিবারের দাবি, ট্রমা কেয়ার থেকে ৫০ মিটার দূরত্বে হেঁটে যেতে গিয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন প্রৌঢ়। নূন্যতম স্ট্রেচার টুকু দেওয়া হয়নি তাকে ।অসুস্থ অবস্থায় হেঁটে হেঁটে শৌচালয়ে যেতে গিয়েই প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে, দাবি তাঁর পরিজনদের। এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। মৃত বিশ্বজিত সামন্তের স্ত্রী ইলা সামন্ত কাঁদতে কাঁদতে বলেন ” নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল রাতে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম চিকিৎসার পর একটু সুস্থ হল তারপর শৌচালয় যেতে চাইল। কিন্তু স্ট্রেচার দেইনি কেউ, হেঁটে হেঁটে শৌচালয়ে যেতে দিয়ে এই পরিণতি হল । অসুস্থ মানুষকে কি করে বলে হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে ? ” মৃতের পুত্র বিশাল সামন্ত বলেন ” এখানে কাছাকাছি কোন শৌচালয় নেই । বাইরে থেকে করিয়ে নিয়ে আসতে বলেছিল ডাক্তার। কিন্তু কেউ স্ট্রেচার দেয়নি । ” তার আক্ষেপ স্ট্রেচার থাকলে হয়তো এই ঘটনা ঘটত না । হাসপাতাল সূত্রের দাবি ট্রমা কেয়ার সেন্টারে শৌচালয় রয়েছে। তবু কেন রোগীকে বাইরে নিয়ে যেতে বলা হয় ? নিজের দেহ আপাতত ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা ঋজু করেছে পুলিশ ।

প্রসঙ্গত আরজি করে অভয়া কান্ডের স্মৃতি এখনো তাজা । বিচার পর্ব এখনো চলছে। এরই মধ্যে শুক্রবার ভোরে এই টমা কেয়ার সেন্টারে লিফটে আটকে মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দোপাধ্যায়ের । এরপর আজ আবার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে মৃত্যু হল ৬০ বছর বয়সী বিশ্বজিৎ সামন্তের। বিতর্ক যেন পিছু ছাড়তে চাইছে না আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *