Rail : মালবাহী রেল করিডরে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক পাঞ্জাবের ফতেগড়ে !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে যখন গোটা দেশ কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া, সেই সময় মালবাহী রেল করিডরে বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল পাঞ্জাবের ফতেগড়ে। শনিবার রাতে এই বিস্ফোরণের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি মালগাড়ির ইঞ্জিন। রেললাইনের কিছু অংশ উড়ে গিয়েছে। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন এক লোকো পাইলট। বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করেছে পাঞ্জাব পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ গোবিন্দগড় থেকে সিরহিন্দের দিকে ফুটপ্লেট ইনস্পেকশনের কাজে যাচ্ছিল একটি মালবাহী ইঞ্জিন। ফতেগড় জেলার খানপুর গ্রামের কাছে পৌঁছতেই রেললাইনে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ইঞ্জিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং লোকো পাইলট ছিটকে পড়েন। বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পাঞ্জাব পুলিশ ও রেল পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আহত লোকো পাইলটকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার পরে এলাকা পরিদর্শন করেন রোপড় রেঞ্জের ডিআইজি নানক সিং। তিনি বলেন, “একটি বিস্ফোরণ হয়েছে, তবে সেটিকে এই মুহূর্তে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে। লোকো পাইলটের আঘাত গুরুতর নয়।” তবে বিস্ফোরণের জেরে রেললাইনে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
রেলওয়ে আইনের ১৫০ ধারা (ইচ্ছাকৃত ভাবে ট্রেন ধ্বংস বা ধ্বংসের চেষ্টা)-এর অধীনে মামলা দায়ের করেছে রেল পুলিশ। বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চাননি আধিকারিকরা।
এদিকে ঘটনার পরেই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ‘খালিস্তান জিন্দাবাদ বোর্ড’। ওই বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘ট্রেলার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খানপুর গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, “হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো গ্রাম কেঁপে উঠেছিল। আমরা সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।”
