মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় ধ্বংস ইরানের যাত্রীবাহী বিমান
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-ইরানের বুশেহর বিমানবন্দরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ধ্বংস হয়ে গেল ইরানের যাত্রীবাহী বিমান । ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের সময় ওই বিমানটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ছড়িয়ে পড়ে । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন ইরানের বিরুদ্ধে আরো বড় হামলা বাকি । পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল ও ভয়াবহ হয়ে উঠছে । এই হামলা ইরানের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা গুলির বিরুদ্ধে মার্কিন ইজরায়েলি যৌথ অভিযানের অংশ বলে জানানো হয়েছে ।
সূত্রের খবর আকাশ থেকে বিমানটিকে গুলি করে নামানো হয়নি । দক্ষিণ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বুশেহরের বিমানবন্দরে রানওয়েতে দাঁড়িয়েছিল যাত্রীবাহী বিমানটি । সেই অবস্থায় সরাসরি সেই অসামরিক বিমানটিতে আকাশ থেকে হামলা চালানো হয়। বিমানে সেই সময় কোন যাত্রী ছিল কিনা সেটা এখনো স্পষ্ট হয়নি। কারো এই হামলার পরে মৃত্যু হয়েছে কিনা সেটাও এখন অব্দি প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর বিমানটি পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি বিমানবন্দরের পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্রমাগত সাইরেন বেজে চলেছে। শুধু বুশেহর বিমানবন্দর নয় তেহেরানের মেহেরাবাদ বিমানবন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে । স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে রানওয়ের পিছনে আকাশে ধূসর ধোয়ার কুন্ডলি।এই দুই বিমানবন্দরের পাশাপাশি বৈরুতে হিজবুল্লার ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইজরায়েলি হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। ক্রমশ খারাপ হচ্ছে ইরান সহ প্রতিবেশী আর দেশগুলির পরিস্থিতি। ইরান ও তাদের বন্ধু গোষ্ঠীগুলি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ দেশগুলিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে বলে খবর । সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ইরাকেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজেরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই এর মৃত্যুর পর থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। মৃত ও আহতের সংখ্যা প্রতিমুহূর্তে বেড়ে চলেছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী এখনো অব্দি ইরানের ওপর বড় আঘাত হানা বাকি । ইরানও প্রতিমুহূর্তে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে । কবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির শেষ তার কোন উত্তর নেই এই মুহূর্তে।
