আজকের দিনেখেলা

Football : দুর্বল মহামেডানের বিপক্ষে জ্বলে উঠল ইস্টবেঙ্গল, ৭-০ গোলে জয় পেল তারা …….

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- জ্বলে উঠল ইস্টবেঙ্গল । তিন ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা । শুধু জয় নয় বিশাল গোলের ব্যবধানে জিতলেন তারা । সাত সাতটা গোলের ব্যবধানে জিতে জয় সারণীতে ফিরল লাল হলুদ শিবির । দলের হয়ে জোড়া গোল করলেন ডিফেন্ডার আনোয়ার আলী ও ইউসেফ এজেজারি । একটি করে গোল করলেন সউল ক্রেস্পো , পিভি বিষ্ণু, নন্দকুমার । সাতটি গোলের তিনটি গোল আসে পেনাল্টি থেকে । জয়ের ফলে লিগ টেবিল এর চতুর্থ স্থানে উঠে এলো তারা ।

ম্যাচের ৬ মিনিটেই গোল মুখ খুলে দেয় ইস্টবেঙ্গল । ডিফেন্ডার আনোয়ার আলী সহজেই গোল করে যান । বিপক্ষ গোলকিপার পদম ছেত্রীর হাতের তলা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায় । এর পরের গোলটি আসে ম্যাচের ১৪ মিনিটে । বক্সের মধ্যে মিজুয়ালকে ট্যাকেল করেন মহামেডানের সাজেদ । পেনাল্টি থেকে গোল করে যান ইউসেপ । ম্যাচের ৩৮ মিনিটে লাল কার্ড দেখায় মহামেডানের জোসেফ । এবং তার সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কে আবার একটা পেনাল্টি উপহার দিয়ে যান তিনি । এবার পেনাল্টি থেকে গোল করেন সউল ক্রেসপো। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল।দশজনের মহামেডান কে পেয়ে ইতিহাস গড়ার জন্য আরো আক্রমণাত্মকভাবে ঝাঁপানো শুরু করেন লাল হলুদ শিবিরের ফুটবলাররা । ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ফের গোল করেন ইউসেফ এজেজারি । এবারও তার গোলটি আছে পেনাল্টি থেকে । ম্যাচের ৬৬ মিনিটে কোচ অস্কার তাকে তুলে নেন । এদিন ইউসেফ যে ফর্মে ছিলেন হ্যাটট্রিক ও করতে পারতেন তিনি ।
৭৫ মিনিটে বিষ্ণুও মহামেডানের জালের খোঁজ পেলেন। চার মিনিট পর আনোয়ার ইস্টবেঙ্গলকে ৬-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। যা আইএসএলে লাল-হলুদ বাহিনীর সবচেয়ে বড় জয়। তারপর একেবারে শেষবেলায় , ম্যাচের বয়স তখন ৯৬ মিনিট সপ্তম গোলটি করেন নন্দকুমার।

আজকের এই ম্যাচ জিতে বেশ কয়েকটি নজির তৈরি করল অস্কার ব্রুজোর দল। প্রথমত এটি আইএসএলের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয় এ ছাড়া পুরো টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় দল হিসেবে এক মাঝে সর্বাধিক গোলের নজির ইস্টবেঙ্গলের। ২০১৫ সালে এফসি গোয়া ৭-০ গোলে মুম্বাই সিটি কে হারিয়েছিল । তাদের রেকর্ডটি স্পর্শ করল লাল হলুদ শিবির । আজকের ম্যাচ জিতে শিরোপা দৌড়ে ফিরে এলো ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু বাকি ম্যাচগুলি তাদের পক্ষে অতটা সহজ হবে না ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *