দোলের আগে বাংলায় একগুচ্ছ হোলি স্পেশাল ট্রেন, প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- দোল ও হোলির উৎসব ঘিরে প্রতি বছরই বাড়ে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল। সেই অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতেই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে রেল। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাংলা থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে একগুচ্ছ হোলি স্পেশাল ট্রেন চালানোর ঘোষণা করা হয়েছে। কলকাতা, নিউ জলপাইগুড়ি, ডিব্রুগড়, মালদা টাউন, উধনা জংশন, বেঙ্গালুরু থেকে শুরু করে গোমতী নগর-মালতীপুর রুট একাধিক দীর্ঘপথে মিলবে এই বিশেষ পরিষেবা। উৎসবের মরশুমে যাতে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
০৩১২৯ কলকাতা-এনজেপি স্পেশাল আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৪০ মিনিটে কলকাতা থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছবে। ফিরতি পথে ০৩১৩০ এনজেপি-কলকাতা স্পেশাল ১ মার্চ দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে এনজেপি থেকে ছেড়ে পরের দিন রাত ১২টা ৪০ মিনিটে কলকাতায় পৌঁছবে।
০৫৯৩২ ডিব্রুগড়-কলকাতা স্পেশাল ২১ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ৭ মার্চ বিকেল ৫টায় ডিব্রুগড় থেকে ছাড়বে এবং তৃতীয় দিন রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ কলকাতায় পৌঁছবে। অন্যদিকে ০৫৯৩১ কলকাতা-ডিব্রুগড় স্পেশাল ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২ ও ৯ মার্চ রাত ২টো ৩০ মিনিটে কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে দ্বিতীয় দিন ভোর সাড়ে ৬টায় ডিব্রুগড়ে পৌঁছবে।
০৩৪১৭/০৩৪১৮ মালদা টাউন-উধনা জংশন-মালদা টাউন স্পেশাল ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। মালদা টাউন থেকে প্রতি শনিবার দুপুর সওয়া ১২টায় ট্রেন ছাড়বে এবং উধনা জংশন থেকে প্রতি সোমবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ফিরতি পরিষেবা মিলবে।
০৩৫৫৫/০৩৫৫৬ বেঙ্গালুরু-মালদা টাউন-বেঙ্গালুরু স্পেশাল ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত চালানো হবে। বেঙ্গালুরু থেকে প্রতি রবিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ট্রেন ছাড়বে। অন্যদিকে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মালদা টাউন থেকে প্রতি বুধবার বিকেল ৪টেয় বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে রওনা দেবে বিশেষ ট্রেন।
এছাড়াও ০৫০৬৪ গোমতী নগর-মালতীপুর স্পেশাল বাংলা, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর ও হিজলি হয়ে চলাচল করবে। উৎসবের মরশুমে বাড়তি যাত্রী চাপ সামাল দিতেই এই বিশেষ ট্রেনগুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।
উৎসবের মরশুমে বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে রেলের এই উদ্যোগ স্বস্তি দেবে ঘরে ফেরা মানুষকে। আগাম সংরক্ষণ ও নির্ধারিত সময়সূচি দেখে যাত্রা পরিকল্পনা করলে ভোগান্তি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। দোলের আনন্দ যেন যাত্রাপথের সমস্যায় ম্লান না হয় সেই লক্ষ্যেই এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা বড় সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
