বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ডাক মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের; ঝুলে থাকা নাম নিয়ে দিলেন বড় আপডেট
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতির খতিয়ান দিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। একদিকে যেমন তিনি রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা দিয়েছেন, তেমনই ভোটার তালিকায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা বিচারাধীন নাম নিয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
তালিকায় নাম থাকা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করে সিইসি জানান, যারা এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছিলেন, তাঁদের নাম প্রাথমিক খসড়া তালিকায় ছিল। তবে স্ক্রুটিনির পর দেখা গিয়েছে অনেক কেস এখনও পেন্ডিং বা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে জুডিশিয়াল অফিসাররা এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছেন। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই একটি সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বা অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজ্যে প্রচুর ‘আনডিসাইডেড কেস’ থাকার কারণেই মাইক্রো-অবজারভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ভোটের নির্ঘণ্ট বা দফা নিয়ে সরাসরি কোনো তারিখ ঘোষণা না করলেও জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই দফার সংখ্যা ঠিক করা হবে। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, “ভোটার বা ভোটকর্মীকে কোনোভাবেই ভয় দেখানো যাবে না। ভয়মুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।”
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও অংশগ্রহণমূলক করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন কমিশনার।
প্রবীণ ও সক্ষমদের সুবিধা: ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভোটাররা বাড়ি থেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া সব পোলিং স্টেশন হবে একতলায়, যেখানে র্যাম্প ও হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে।
তরুণ ভোটার: নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় বিশেষ অফিসার নিয়োগ করা হবে যারা প্রচার চালাবেন।
মোবাইল ফোন: ভোট দেওয়ার সময় ভোটাররা নির্দিষ্ট জায়গায় মোবাইল রেখে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন।
