আজকের দিনেতিলোত্তমা

সিপিএম ছেড়ে কি ঘাসফুলে প্রতীক উর?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ডায়মন্ড হারবারের তরুণ কমরেড প্রতীক উর রহমানকে ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন—মঙ্গলবার সকাল থেকেই এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। শোনা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়া প্রায় নিশ্চিত। এমনকি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে শাসকদলের প্রার্থী হিসেবেও দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কিংবা প্রতীক উর কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইছেন না।

লালপার্টির বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেই ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের এই লড়াকু নেতা। সোমবার আচমকাই তাঁর লেখা একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসে কুণাল ঘোষ-এর মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই চিঠিতে প্রতীক উর জানান, দলের কিছু সিদ্ধান্তের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে না পেরে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন তিনি। সেই কারণেই জেলা ও রাজ্য কমিটি-সহ প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পার্টিকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন।

চিঠিটি বাইরে কীভাবে এল, তা নিয়ে পরে সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভও প্রকাশ করেন প্রতীক উর। তিনি জানান, এই বিষয়টি নিয়ে দলকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবেন।

এরপর মঙ্গলবার থেকেই নতুন জল্পনা তাঁর নাকি যোগাযোগ হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, খুব শিগগিরই তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে বিধানসভা ভোটে তাঁকে প্রার্থী করাও অসম্ভব নয়।

কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে, মগরাহাট পূর্ব বা পশ্চিম এই দুই কেন্দ্রের একটিতে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে। বর্তমানে এই কেন্দ্রগুলির বিধায়ক নমিতা সাহা ও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। ফলে প্রতীক উরকে প্রার্থী করা হলে তাঁদের মধ্যে কাউকে বাদ পড়তে হতে পারে।

শেষ পর্যন্ত সমীকরণ কোন দিকে গড়াবে, তা সময়ই বলবে তবে ইস্তফার পর একদিনের মধ্যেই রাজ্যের রাজনীতিতে বড় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন প্রতীক উর রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *