আজকের দিনেমনের জানালা

কিভাবে ঘুমালে শরীর সম্পূর্ণ ফিট থাকবে ?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা: ঘুমের অভাবের কারণে অনেক সময় আমাদের শরীরে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । সুস্বাস্থ্যের জন্য ভালো ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কোন কারনে যদি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে তাহলে পরের দিন শরীরে তেজ থাকে না সারাদিন ধীর গতির হয়ে যায় । সেই জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন যার জন্য সঠিক অবস্থান জানাও জরুরী ।

ঘুমের কয়েকটি পজিশন সম্পর্কে আমরা জেনে নেব ।

ফেটাল পজিশন : – ঘুমের সেরা পজিশন গুলির মধ্যে একটি হল ফেটাল । এই পদ্ধতিতে পা ভাজ করে একপাশে ঘুমাতে হয় । যেমনটা একটি শিশু জন্মের আগে মায়ের গর্ভে শুয়ে থাকে । যারা পিঠের নিচের দিকের ব্যথায় ভুগছেন তাদের জন্য খুবই সহায়ক হতে পারে এই পদ্ধতি । এছাড়া গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রেও এটি উপযুক্ত হতে পারে । বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এই পদ্ধতি অনুযায়ী ঘুমালে নাক ডাকা কমে যায় এবং ঘুম ভালো হয় । এর সাথে এটাও জেনে রাখা জরুরী যে এই অবস্থানে বেশিক্ষণ ঘুমালে শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে । আরে যাদের জয়েন্টে ব্যথা আছে তারা যদি সারারাত এই পজিশনে ঘুমান তাহলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যথার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা আছে। সেই জন্য চেষ্টা করতে হবে সারারাত যাতে এই অবস্থানে না ঘুমানো যায়।

সাইড স্লিপিং পজিশন :- পাশে ঘুমানোর অবস্থান ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিবেচনা করা হয় । এইভাবে ঘুমালে অনেক উপকার পাওয়া যায় । হজম , বুক জ্বলার মত সমস্যা থেকে এই পদ্ধতি মুক্তি দিতে পারে। এই পদ্ধতিতে অনেক সুবিধা থাকলেও কিছু অসুবিধা আছে। কাঁধ শক্ত হওয়া বা চোয়াল শক্ত হওয়ার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে । এই সমস্যা কমাতে নিচের পায়ের মাঝে বালিশ রাখা যেতে পারে এটি কোমর এবং নিতম্বের ভারসাম্য বয়ে থাকে তাই বিভিন্ন ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে এই পদ্ধতিতে ঘুমালে ।

পিছনে ফ্ল্যাট করে ঘুমানো :- পিঠে ভর দিয়ে ঘুমানোর পদ্ধতি একটি সেরা বিবেচিত নিয়ম । এই পদ্ধতিতে ঘুমালে পিঠ ও হাঁটুর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে । কিন্তু কারো যদি নাক ডাকার সমস্যা থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ঘুমানো ক্ষতিকারক প্রমাণিত হতে পারে ।

পেটের ওপর ভর দিয়ে ঘুমানো :-অনেক মানুষেরই পেটের উপর ভর দিয়ে ঘুমালে ভালো ঘুম হয়। তবে ঘুমানোর সমস্ত অবস্থানের তালিকায় এটি সবার নিচে আসে । তবে যাদের নাক ডাকার সমস্যা আছে তাদের জন্যই এই পদ্ধতিতে ঘুমানো ভালো । এইভাবে ঘুমালে অনেকের আবার ঘাড়ে ও পিঠে ব্যাথা হতে পারে ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এখানে উল্লেখিত কোন পদ্ধতিতে ঘুমানোর আগে নিজস্ব চিকিৎসকের সঙ্গে আগে পরামর্শ করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরই নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করুন । এই পদ্ধতিগুলি মানুষের সাধারণ জ্ঞানের জন্যই লেখা হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *