ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীকে নৃশংস খুন , নেপথ্যে কি রাজনৈতিক শত্রুতা ?
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- রাজ্যে এখন বিধানসভা ভোটের উত্তাপ । এই আবহেই নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগ এক তৃণমূল কর্মীকে । হাড়োয়া বিধানসভার ঝুঝুরগাছা এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় । প্রথমে পরিচয় জানা না গেলে পরবর্তীতে জানা যায় তার নাম মশিউর কাজী। দেগঙ্গা বিধানসভার চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনীয়া এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন বলে খবর । তার খুনের নেপথ্য কারণ কি ? রাজনৈতিক রেষারেষি না ব্যক্তিগত শত্রুতা ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিশ ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল ১৮ ই মার্চ বুধবার রাত নটা নাগাদ একটি ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান মশিউর। তারপরে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি । সারারাত অপেক্ষার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে উদ্বিগ্ন পরিবার এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন । কিছুক্ষণের মধ্যেই হাড়োয়া বিধানসভার শংকরপুর পঞ্চায়েত এলাকার ঝুজুরগাছায় তার দেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনরা সেখানে গিয়ে দেহটি শনাক্ত করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, মৃতদেহের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নৃশংস । সারা শরীরের একাধিক অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, এমনকি তার একটি হাত ও শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ মনে করছে ভারি কোন বস্তু দিয়ে মাথায় জোরে আঘাত করে তাকে খুন করা হয়েছে । ঘটনার পর মশিউরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কি কারনে এই খুন তা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি । রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ সেটা এখনো তদন্ত সাপেক্ষ । পরিবারের দাবি, তাকে ফোনে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে মশিউর কাজিকে। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে কারা সেই সম্পর্কে পরিবার কিছু জানাতে পারেনি ।
রাজ্যে নির্বাচন ঘোষনার পর তৃণমূল বুথ সভাপতি এই ধরনের হত্যাকাণ্ড স্বাভাবিকভাবেই গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে । এই হত্যার পিছনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।
