আজকের দিনেবিশ্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার পার হলেই ট্রানজিট ২ মিলিয়ন ডলার ?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম এশিয়ার থামার কোন লক্ষণ নেই । যানিয়ে গোটা বিশ্বে উদ্বেগ বাড়ছে। এতদিন যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোন তেল বা গ্যাস বাড়ি যা চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইরান । প্রথমে শুধুমাত্র রাশিয়া ও চীনের জাহাজ পারাপার করার অনুমতি ছিল । কিন্তু পরবর্তীকালে অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে হরমুজ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে শিথিল হয়। নতুন এক রিপোর্ট প্রকাশে এসেছে যেটা নিয়ে বিশ্বজুড়ে হৈচৈ চলছে । হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজের উপরে ২ মিলিয়ন ডলারের বিশাল করের বোঝা চাপিয়েছে ইরান। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য ১৮ কোটি টাকা ।

ইরানের আইনপ্রণেতা এবং সেখানকার পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য আলাএদ্দিন বরোউজেরদি ইরানের এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ইতিমধ্যেই এই শুল্ক চালু হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলির উপরে চাপানো এই কর হরমুজ়ের উপর ইরানের দখলকে নিশ্চিত করে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘যুদ্ধের একটা বিপুল খরচ রয়েছে। সেই খরচ আদায় করার জন্য জাহাজগুলির কাছ থেকে ট্রানজ়িট ফি নেওয়া হচ্ছে।’ তবে কোন কোন দেশকে শুল্ক দিতে হচ্ছে সেটা তিনি স্পষ্ট করে বলেননি ।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ় প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের উপরে আরও বড় হামলা হবে।’ ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দেন, ‘ইরানের পাওয়ার প্লান্ট ধ্বংস করে দেওয়া হবে। প্রথমেই সবথেকে বড় প্লান্টে হামলা হবে।’ এই হুঁশিয়ারি নিয়েও মুখ খুলেছেন বরোউজেরদি। তিনি বলেন, ‘ইজ়রায়েলের পাওয়ার প্লান্টগুলি ইরানের নাগালের মধ্যেই। তাই সেগুলি ধ্বংস করতে আমাদের একদিনও লাগবে না।’

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি সরবরাহকারী পথ । বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে পার হয় । এবার এই রিপোর্ট অনুযায়ী যদি ইরান জাহাজ-পিছু দুই মিলিয়ন ডলার ট্রানজিট ফি আদায় করে তাহলে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের অর্থনীতির অনেকখানি লাভ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *