অ্যাপ ক্যাব চালকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি টাকার লেনদেন
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- গুজরাটের একজন অ্যাপ ক্যাব চালকের ব্যাংক একাউন্টে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন । বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেন ইডি আধিকারিকরা । বিষয়টির তদন্ত শুরু হয় । জানা যায় এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ক্রিকেট বেটিং ও শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত টাকা অন্যত্র পাচার করা হতো । তদন্তে নেমে রীতিমতো চক্ষুচড়কগাছ ইডির তদন্তকারী অফিসারদের । বিরাট বড় হদিস পাওয়া গেছে এই ঘটনায়।
সূত্রের খবর গুজরাটের আমেদাবাদের বাসিন্দা ওই গাড়িচালকের নাম প্রদীপ ওড়ে । ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকা লেনদেনের বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অফিসাররা । ঘটনার তদন্ত শুরু হয় জানা যায় ওই গাড়িচালকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ক্রিকেট বেটিং এবং শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত টাকা অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে । ওই গাড়িচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ইডি আধিকারিকদের হাতে । জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন ওই গাড়ি চালক তদন্তকারী অফিসারদেরকে জানান মাত্র ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কিরণ পারমার নামে এক ব্যক্তিকে তিনি তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি ভাড়া দিয়েছিলেন । শুধু এখানেই শেষ নয়, জানা গিয়েছে প্রতিটা চেকে সই করার জন্য ৪০০ টাকা করে দেওয়া হতো ওই গাড়ি চালককে ।
ইডি সূত্রে খবর, ওই গাড়িচালক প্রদীপ ওড়ের পরিচয় পত্র ব্যবহার করে ২০২৪ সালে প্রদীপ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ফার্ম তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়া কাগজে-কলমে কমলেশ ট্রেডিং এবং রৌন ট্রেডার্স নামে আরো দুটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল তবে কোন ব্যবসায়িক কাজকর্ম হত না । অথচ ব্যাংকে ৫৫০ কোটি টাকা জমা পড়েছে । কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে তিনটি পৃথক কোম্পানিতে টাকা লেনদেন করা হয়েছে। তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যথাক্রমে ৮০ কোটি ৫০ লাখ , ৫২ কোটি ১১ লাখ এবং ২২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছিল। এইবার এই টাকাগুলি পাচার করার পিছনে অভিযুক্তদের কি উদ্দেশ্য ছিল তা এখনো অব্দি জানা যায়নি।
তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি এই কোম্পানির রেজিস্ট্রেশনে শেখ মঈন মোহাম্মদ শাফির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার হয়েছিল। জানা গিয়েছে এই শাফি অতীতের একাধিক পরিচয় পত্র ব্যবহার করে বেআইনি কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত। আপাতত এই ঘটনায় তিনজনের নাম উঠে এসেছে। তবে তদন্তকারী আধিকারিকরা এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত আছেন ? সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।
