আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

ইরানের যুদ্ধের আঁচ এবার পড়লো বাংলার স্কুলের মিড ডে মিলে

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- ইরান ইজরায়েল যুদ্ধের আঁচ এবার বাংলার স্কুলগুলিতে । দেশজুড়ে এলপিজি গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে । সেই প্রভাব এবার পড়লো পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলের মিড ডে মিলের ক্ষেত্রে । দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ একাধিক জেলায় স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল রান্নার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে ।

সূত্রের খবর মথুরাপুর লোকসভার অন্তর্গত কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলের শিক্ষকেরা কাঠের জ্বালানির খোঁজে বেরিয়েছিলেন । কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়া যাওযায় তারা বাধ্য হয়ে বিকল্প জ্বালানির খোঁজে তাদেরকে বেরোতে হয়েছিল । স্কুলের প্রধান শিক্ষক চন্দন মাইতি জানান ” তাদের স্কুলে প্রায় ২২০০ জন পড়ুয়া তাদের মধ্যে প্রতিদিন অন্তত ১৫০০ জন পড়ুয়ার জন্য মিড ডে মিল রান্না হয়। প্রতিদিন প্রায় দেড়খানা সিলিন্ডার ফুরিয়ে যায়। গ্যাস সিলিন্ডার এর যোগান না থাকলে কিভাবে খাওয়ার দেওয়া হবে পড়ুয়াদের” ? প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এরপর আর গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাবে না সে কারণেই তারা বিকল্পের পথে হেটে ছিলেন। তিনি বলেন ” কাঠের দোকানে এখন আর জ্বালানি পাওয়া যায় না । তাছাড়া ছোটদের আমরাই শেখায় গাছ না কাটার কথা । আমরাই কিভাবে গাছ কেটে এনে রান্না করব” ?

বাঁকুড়ার খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুলের গ্যাস সিলিন্ডারের সংকটের কারণে সমস্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে । স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামাক্ষা বিশ্বাস বলেন “আমাদের স্কুলে প্রতি তিন দিনে দুটি করে সিলিন্ডার লাগে তার জোগান না পেলে রান্না করা যাবে না ” । এখন সমস্যা না হলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে উদ্বেগ তো রয়েছেই ।
নদিয়ার বড়জাগুলি গোপাল অ্যাকাডেমির ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক রাজকুমার হাজরা বলেন, “আমাদের বাড়তি গ্যাস মজুত নেই। গতকাল মঙ্গলবার রান্না হয়েছে। আজ বুধবারের জন্য আর সিলিন্ডার নেই। সরবরাহকারীদের তরফে আমাদের অবশ্য মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যদি গ্যাসের সরবরাহ থাকে তা হলে পাওয়া যাবে।” তাঁরা ইতিমধ্যে বিষয়টি বিডিও অফিসে জানিয়ে রেখেছি। প্রায় ৭০০ পড়ুয়ার জন্য মিড ডে মিল রান্না হয় ওই স্কুলে।

রাজ্য সরকারের মিড-ডি মিল-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আধিকারিক বলেন, “ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল থেকে এই সমস্যা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু সমস্যা হওয়ার কথা নয়। স্কুল কলেজকে গ্যাস বণ্টনের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের তালিকায় রাখার হয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *