তিলোত্তমাআজকের দিনেভারত

SIR  নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের বড় জয়

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় সাফল্য পেল তৃণমূল কংগ্রেস। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে এসআইআর শুনানিতে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও বুথ লেভেল এজেন্টদের হিয়ারিংয়ে প্রবেশ নিয়ে যে বিতর্ক চলছিল, তাতেও স্পষ্ট রায় দিয়েছে আদালত।সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সময় কোনও ভোটার চাইলে একজনকে সঙ্গে নিতে পারেন। সেই ব্যক্তি যদি বিএলএ হন, তাতেও কোনও আপত্তি নেই। অর্থাৎ, এবার থেকে এসআইআর শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারবেন বিএলএরা।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এই কাজ হচ্ছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা ধরে, কারণ ওই বছরেই শেষবার ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন হয়েছিল। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে এই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে নিয়ম অনুযায়ী, এসআইআর শুনানিতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে নাম তোলার আবেদন করতে পারেন ভোটাররা। পাশাপাশি, ভোটার তালিকায় কোনও ভুল বা অসংগতি থাকলেও সংশোধনের জন্য নথি জমা দিতে হয়।ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য নির্বাচন কমিশন ১৩টি নির্দিষ্ট নথির তালিকা দিয়েছিল। প্রথমে সেই তালিকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, এই নথিটি নাগরিকত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রেও বহু ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। তাই একাধিক স্তরে আবেদন জানানো হয়েছিল।এর ফলে বহু জায়গায় বিএলওরা শুনানিতে আসা ভোটারদের কাছ থেকে মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণও করেছিলেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো এক নোটিসে জানানো হয়, এই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে ধরা হবে না। এতে বহু মানুষের হয়রানির আশঙ্কা তৈরি হয়।

এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শুক্রবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড অবশ্যই এসআইআর-এর বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বিএলএদের শুনানিতে থাকার অনুমতিও দেয় আদালত। সব মিলিয়ে, এই রায়কে এসআইআর মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বড় জয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *