আজকের দিনেতিলোত্তমারাজনীতি

স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে ছবি পোস্ট, গুঞ্জনে ইতি টানলেন প্রতীক উর রহমান

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- বাম শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে যেমন চর্চা শুরু হয়েছিল, তেমনই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে প্রতীক উর রহমানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা গুঞ্জন। তবে সব জল্পনার ইতি টানলেন স্বয়ং প্রতীকই। স্ত্রী শিরিন সুলতানা ও কন্যাকে নিয়ে একটি পারিবারিক ছবি পোস্ট করে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সংসারে ভাঙন নয়, পরিবার আগের মতোই তাঁর পাশে রয়েছে।
ডায়মন্ড হারবারের তরুণ সিপিএম নেতা হিসেবে পরিচিত প্রতীক উর রহমান কয়েকদিন আগেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রাথমিক সদস্যপদ-সহ জেলা ও রাজ্য কমিটির সমস্ত দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিতে চেয়ে চিঠি দেন। সেই সময় থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়, তিনি শাসকদল তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। অবশেষে শনিবার আমতলায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর। এরপরই কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া(মারসিক্সট) বা সিপিএম তাঁকে বহিষ্কার করে।

এই দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তেমনই ‘ভারচুয়াল’ বামপন্থী মহলেও শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়ে আরেক গুঞ্জন প্রতীক উরের এই সিদ্ধান্ত নাকি তাঁর পরিবার মেনে নিতে পারেনি। সোশাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়, স্ত্রী শিরিন সুলতানা অভিমানে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছেন, দাম্পত্য সম্পর্কে নাকি টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে রবিবার সন্ধ্যায় প্রতীক উর একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, বিছানায় বসে রয়েছেন তিনি, পাশে স্ত্রী শিরিন ও তাঁদের মেয়ে। সন্তানকে পড়াচ্ছেন শিরিন। ক্যাপশনে লেখেন, “আপাতত এটুকুই।” অর্থাৎ, পরোক্ষে বুঝিয়ে দেন রটনায় কান দেওয়ার কোনও কারণ নেই, তাঁরা একসঙ্গেই আছেন।

এর আগেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শিরিন সুলতানা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এসবই ভিত্তিহীন রটনা। ইচ্ছে করেই এসব কথা ছড়ানো হচ্ছে এবং যাঁরা এমন করছেন, তাঁরা তাঁদের ভালো চান না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রতীক উর রহমান ও শিরিন সুলতানা ছাত্রজীবন থেকেই বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে তাঁর দলবদল ঘিরে আবেগ ও বিতর্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়ানো জল্পনা যে সত্য নয়, তা স্পষ্ট করে দিল তাঁদের সাম্প্রতিক পারিবারিক উপস্থিতিই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *