রাজীবকে দেখা মাত্রই পুলিশের স্যালুট, শুরু বিতর্ক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা: – চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর রাজীব কুমার এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী । আজ রাজারহাট নিউটাউন ওয়েস্টিন হোটেলে দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক ছিল সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের। সেখানে ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পাশাপাশি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজীব কুমারও । তাকে দেখে সেলুট করতে দেখা যায় পুলিশের একাংশের ।কোনও কোনও পুলিশ কর্তাকে আবার এগিয়ে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দিতে উদ্যত হতেও দেখা যায়। যা নিয়ে সৃষ্টি হয় বিতর্ক।
প্রসঙ্গত বিগত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল পদ থেকে অবসর নেন। তাঁর ইস্তফা ও নতুন ডিজি নিয়োগ ঘিরে রাজ্যজুড়ে কম জলঘোলা হয়নি। এরপরই এক মহাচমক! রাজ্যসভার প্রার্থীতালিকা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তৃণমূল। তাতে জ্বলজ্বল করে রাজীব কুমারের নাম। সঙ্গে আরও একাধিক নাম। কিন্তু রাজীব কুমারের নামটা স্বাভাবিকভাবেই বঙ্গের রাজনীতিকদের চমকে দিয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এক সময়ের দুঁদে কর্তা, যাঁর জন্য খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছিল, অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে রাজীবকে। সেই রাজীব কুমার এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে যে প্রতিনিধি দল গিয়েছিল, তাতে ছিলেন রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য , ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকও করেন রাজীব কুমার।তারপর সেখানে দেখা যায় বিতর্কিত ছবি ,রাজীব কুমার গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। সে সময়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্তাকে স্যালুট করতে দেখা যায়। কয়েকজন আবার এগিয়েও যান।
রাজনীতিকদেরই কেউ কেউ বলছেন, আসলে যে ‘স্যার’ কয়েকদিন আগে পর্যন্ত ডিজিপি পদে দায়িত্ব সামলেছেন, তাঁকে দেখে পুলিশ কর্মী-কর্তাদের এহেন আচরণ অত্যন্ত স্বভাবসিদ্ধই। তিনি যে এখন একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য, তা এখনও আত্মস্থ করে উঠতে পারেননি অনেকেই। তাও বিতর্ক জারি রয়েছে।
