আজকের দিনেবাংলার আয়না

এলপিজি সরবরাহে সমস্যা, বন্ধ হওয়ার মুখে হাসপাতালে রোগীদের রান্না

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,বর্ধমান:- পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে এলপিজি গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিয়ে রেখেছে । সমস্যায় পড়েছে বিভিন্ন বিদ্যালয়, মন্দির, রেস্তোরা । এইবার গ্যাসের সংকটের প্রভাব দেখা গেল হাসপাতালে রোগীদের খাবার রান্নার ক্ষেত্রে । বীরভূম পশ্চিম বর্ধমান জেলা থেকে তেমনই খবর উঠে আসছে।

সূত্রের খবর বীরভূমের সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে গ্যাসের সংকট দেখা গিয়েছে । প্রতিদিন অন্ততপক্ষে দেড় হাজার রোগীর জন্য রান্না হয় । দিলে দুটো থেকে তিনটে করে গ্যাস লাগে । আপাতত সেখানে মাত্র একদিনের স্টক রয়েছে । এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের কিচেন ম্যানেজার সঙ্গীতকুমার খাঁড়া বলেছেন ” এখন একদিন থেকে দেড় দিনের স্টক আছে । কিন্তু বিগত একমাস আগে আমাদের ১৫ দিনের স্টক থাকতো । পাঁচটার বেশি পাচ্ছি না । বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে বের করতে হবে আমাদেরকে । ইলেকট্রিক, কাঠ কয়লা এসব দিয়েই রোগীদের জন্য রান্না ব্যবস্থা করতে হবে”। সিউড়ির পাশাপাশি বীরভূমের রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্টিনে গ্যাস সংকট টাকা দিয়েছে । হাসপাতালের ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের দাবি চিকিৎসক ও নার্স মিলে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০ জন হাসপাতালে ক্যান্টিনের খাওয়া দাওয়া করেন কিন্তু বাণিজ্যিক গ্যাসের আকাল দেখা দেওয়ায় চড়া দামে কিনতে হচ্ছে সিলিন্ডার । নানুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র একইভাবে গ্যাসের আকাল দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রাধুনী তকলিমা বিবি বলেন ” অনেক সমস্যা হচ্ছে । গ্যাস যদি না পাই তাহলে আমি কী করে রান্না করবো ? কী করে দেবো রোগীদের ? এখন গ্যাস ফাঁকা “।

পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেও একই ছবি। কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিদিন প্রায় সাড়ে সাতশো রোগীর খাবারের জোগান দিতে হয় তাদের। ভরসা বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার।
তবে এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি, তাতে মজুত সিলিন্ডার দিয়ে আর মাত্র কয়েকটা দিন চালানো যেতে পারে। এর পরে কী হবে কোনো উত্তর নেই তাদের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *