Iran : হরমুজ প্রণালীতে ভারতের জাহাজকে ছাড়, আটকে বাংলাদেশের জাহাজ !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পরে ইরানের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী। গোটা বিশ্বের বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকটের আশঙ্কা দেখা গিয়েছিল। প্রথমদিকে চীন ও রাশিয়া ছাড়া অন্য কোন দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি ছিল না হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ইরানের সঙ্গে আলোচনার পর শিবালিক ও নন্দী দেবী নামক দুটি এলপিজিবাহী জাহাজ হরমুজ পাড়ার অনুমতি পেয়েছে। আগামী ২/১দিনের মধ্যে জাহাজগুলি গুজরাটের বন্দরে পৌঁছে যাবে। কিন্তু বাংলাদেশের জাহাজ এখনো সেখানে আটকে। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সমাধানের পথ বের হয়নি ।
সূত্রের খবর গত ২ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে পণ্য নিয়ে পারস্য উপসাগরে ঢোকে বাংলার জয়যাত্রা নামক বাংলাদেশের জাহাজটি । পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিলের সামগ্রী বোঝাই করে ২৭শে ফেব্রুয়ারি যায় আরব আমিরশাহির জেবেল আলী বন্দরে । তারপরের দিন আঠাশে ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় হরমুজ প্রণালী। এবং সেখানেই আটকে পড়ে বাংলাদেশের জাহাজ।এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ভারতকে ‘সেফ প্যাসেজ’ দেওয়ার ঘোষণা করে ইরান। ভারতের দুটি জাহাজ হরমুজ পার হওয়া শুরু করে । তার পরে জাহাজ নিয়ে হরমুজ় পেরনোর চেষ্টা করেছিলেন বাংলাদেশের নাবিকরা। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহাজটি যখন হরমুজ়ের ৬৬ নটিক্যাল মাইল দূরে, ঠিক তখনই মিসাইল হামলা শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সতর্ক করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কোস্টগার্ড এর পক্ষ থেকে। তার পরেই ফের নিরাপদ স্থানে সরে যায় বাংলাদেশের জাহাজ। শারজা উপকূলে তারা বর্তমানে নোঙর করেছে।বাংলাদেশের শিপিং কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহমুদুল মালেক বাংলাদেশের এক জনপ্রিয় সংবাদপমাধ্যমকে বলেন, ‘জাহাজটি যেহেতু হরমুজ়ে আটকে রয়েছে, তাই কাতার থেকে নতুন করে পণ্য বোঝাই করার কথা ভাবছি আমরা।’
এ দিকে ১৪ ই মার্চ শনিবার ভোরেই গ্যাস নিয়ে হরমুজ় পেরিয়েছে ভারতের দু’টি জাহাজ। আগামী ১৬ থেকে ১৭ মার্চের মধ্যে তারা গুজরাটের বন্দরে এসে পৌঁছবে। দু’টি জাহাজে মোট ৯২,৭০০ টন LPG রয়েছে বলে খবর সূত্রের । গ্যাস সংকটের মধ্যে এই দুটি জাহাজ ভারতে পৌঁছলে বড় সুরাহা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
