মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে গ্যাস সংকট! কবে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে? জানাল কেন্দ্র !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গোটা বিশ্বের জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট তৈরি হয়েছে। ভারতেও এর প্রভাব পড়েছে, কারণ ভারতের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করতে হয়। এবার এই আবহে আশার বাণী শোনালো কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। তারা বিবৃতি মারফত জানালো, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করবে।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সচিব নীরজ মিত্তল শনিবার ২১ শে মার্চ সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবদের উদ্দেশে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, ২৩ মার্চ থেকে রাজ্যগুলিকে ২০ শতাংশ বেশি এলপিজি সরবরাহ করা হবে। ২৩ মার্চ থেকে অতিরিক্ত সরবরাহ শুরু হলে ধীরে ধীরে এলপিজি সংকট কমবে বলেও চিঠিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের ঐ চিঠিতে বলা হয়েছে বাণিজ্যিক এলপিজির ঘাটটির কারণে দেশের বিভিন্ন শহরে হোটেল রেস্তোরাঁ ও ধাবা গুলি সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে । তাই খাদ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ওই জায়গাগুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী। ছোট হোটেল ও খাবারের দোকানগুলির কাজে যাতে কোন বাধা না হয় সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া পড়িই এই শ্রমিকদের সুবিরার জন্য পাঁচ কেজির ছোট সিলিন্ডারের সরবরাহ বাড়ানো হবে । বড় সিলিন্ডার ব্যবহারে শ্রমিকদের সমস্যা সে কারণেই ছোট সিলিন্ডার সরবরাহ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। গ্যাসের ঘাটে নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো বা কালোবাজারি ও বেআইনিভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখা নিয়ে রাজ্যগুলিকে আরো কঠোরভাবে নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে আগামী ২৩ শে মার্চ থেকে অতিরিক্ত সরবরাহ শুরু করা হলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন শহরে খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা প্রচুর সমস্যায় পড়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের এই ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল ।
দেশে গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে সকলেই উপকৃত হবেন। এই আবহে কেন্দ্রের এই ঘোষণা খাদ্য ব্যবসায়ী থেকে আমজনতা সকলকেই স্বস্তি দিতে পারে। তবে গ্যাস হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিন্ত হওয়া যাচ্ছে না ।
