অভিষেক মনু সিংভিই ভরসা কংগ্রেসের, ফের কপাল পুড়ল দীপা দাশমুন্সির!
কিউ ইন্ডিয়া বাংলাঃ- জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভিকেই প্রার্থী হিসেবে বেছে নিল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ বা অন্য কোনো রাজ্য থেকে তাঁকে উচ্চকক্ষে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। আর এই সিদ্ধান্তের ফলে ফের একবার ব্রাত্যই রয়ে গেলেন বাংলার নেত্রী দীপা দাশমুন্সি। দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিল যে, প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির পত্নী দীপাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে ফের সক্রিয় করতে পারে কংগ্রেস। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের সংগঠন এবং দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে তাঁর নাম তালিকার প্রথম দিকেই ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ সিংভির ওপরই আস্থা রাখল এআইসিসি।
জাতীয় রাজনীতিতে অভিষেক মনু সিংভির গুরুত্ব অপরিসীম। সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক লড়াইয়ে কংগ্রেসের প্রধান মুখ তিনি। ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনে সিংভির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
হিমাচল প্রদেশে গতবার রাজ্যসভা নির্বাচনে নাটকীয় হারের পর, সিংভিকে দ্রুত সংসদে ফেরানো দলের জন্য জরুরি ছিল।
তবে, দীপা দাশমুন্সির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। দীপা দাশমুন্সির অনুগামীরা আশা করেছিলেন, এবার হয়তো দল তাঁকে প্রাপ্য সম্মান দেবে। বর্তমানে তিনি কেরালা ও লাক্ষাদ্বীপের স্ক্রিনিং কমিটির দায়িত্ব সামলালেও, নিজের রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ থেকে আবারও বঞ্চিত হলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্য রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে থাকা কংগ্রেস সম্ভবত এই মুহূর্তে আইনি এবং জাতীয় স্তরের লবিং শক্তিশালী করতেই সিংভিকে বেছে নিয়েছে।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার কংগ্রেস কর্মীদের একাংশ চেয়েছিলেন ভূমিপুত্র বা ভূমিকন্যা কাউকে রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। সিংভির মনোনয়ন সেই প্রত্যাশায় কিছুটা জল ঢেলে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
