রাজ্যের নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক কমিশনের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলাঃ- সামনেই বিধানসভার ভোট। সব স্তরে তার প্রস্তুতি চলছে জোড় কদমে। পিছিয়ে নেই নির্বাচন কমিশনও। সোমবার সিইও অফিসে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ভোটপর্ব নির্বিঘ্ন রাখতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, কমিশনের পদস্থ কর্তারা এবং পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী।
এদিনের আলোচনার মূল বিষয় ছিল আসন্ন বিধানসভা ভোট স্বচছতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে যেন নির্বিঘ্নে হয়। এই আলোচনায় কতগুলি বিষয় স্পশটভাবে জানান হয়। যেমন-
১/ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা রাখতে হবে। কোনও বুথ অন্ধকারে ডুবে থাকবে না।
২/প্রত্যেক কেন্দ্রে স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩/ সব বুথে ওয়েব কাস্টিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে। কোথাও প্রযুক্তিগত কারণে ওয়েব কাস্টিং সম্ভব না হলে, সেখানে বিকল্প হিসেবে ভিডিওগ্রাফির ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪/ কেন্দ্রীয় বাহিনী যে সব গাড়িতে টহল দেবে, প্রতিটি যানবাহনে জিপিএস ট্যাগ বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে বাহিনীর গতিবিধি রিয়েল-টাইমে নজরে রাখা যাবে।
৫/ ‘সেনসিটিভ’ বা স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিতকরণ।
৬/ প্রযুক্তি, নজরদারি ও নিরাপত্তা – তিন দিকেই কড়া বার্তা স্পষ্ট।
পাসাপাশি, রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দু’দফা মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি মোতায়েন হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জানা গেছিল, ১ মার্চের মধ্যে প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি এবং ১০ মার্চের মধ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি রাজ্যে ঢুকবে। সেইমতোই গতকাল ১ মার্চ নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় দফায় ২৪০ কোম্পানির কোথায় কত মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। এরমধ্যে বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। এরপরেই কলকাতাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মোতায়েন হচ্ছে ৩০ কোম্পানি বাহিনী। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
