খাদ্য সুরক্ষায় দেশের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে বাংলা, হাইকোর্ট
কিউ ইন্ডিয়া বাংলাঃ-রাজ্যে খাবারের গুণমান বজায় রাখা এবং খাবারে ভেজাল ও কৃত্রিম রঙের ব্যবহার রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে রাজ্য জানায়, ২০১৯ সালে খাদ্য সুরক্ষা সূচকে পশ্চিমবঙ্গ যেখানে ১৫তম স্থানে ছিল, বর্তমানে তা উন্নতি করে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে।
প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। রাজ্যের পেশ করা বিস্তারিত রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর আদালত জানায়। খাদ্য সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে সারাবছর তৎপর থাকতে হবে। বাজারের কাঁচা আনাজ, মাছ, দুধ ও মিষ্টির গুণমান নিয়মিত যাচাই করতে হবে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরে কর্মীর অভাব থাকলে দ্রুত সেই শূন্যপদ পূরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী নীলোৎপল চট্টোপাধ্যায় জানান, খাদ্য সুরক্ষায় নজরদারি বাড়াতে রাজ্য একাধিক পরিকাঠামোগত পরিবর্তন এনেছে। বর্তমানে রাজ্যে ১৭৬ জন ফুড সেফটি অফিসার কর্মরত। জেলা স্তরেও ২৮ জন আধিকারিক রয়েছেন।
নমুনা পরীক্ষা: ফুড সেফটি অফিসাররা প্রতি মাসে গড়ে অন্তত ২৫টি খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠান। বর্তমানে ৩০টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার রয়েছে। এছাড়া একটি নতুন মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব চালু হয়েছে এবং আরও তিনটি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
কাঁচা সবজি ও ফলে রাসায়নিক ইনজেকশন দেওয়া, মাছে ফরমালিন মেশানো এবং মিষ্টিতে ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙের ব্যবহার বন্ধের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, এই ভেজাল খাবার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের বড় ক্ষতি করছে। রাজ্যের রিপোর্টে সেই উদ্বেগের যথাযথ উত্তর মেলায় এদিন মামলাটির নিষ্পত্তি করে দেয়
