মার্কিন – ইজরায়েল যৌথ হানায় নিহত আয়াতোল্লা খামেনেই, খবরের সত্যতা স্বীকার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের !
মার্কিন – ইজরায়েল যৌথ হানায় নিহত আয়াতোল্লা খামেনেই, খবরের সত্যতা স্বীকার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- ইজরায়েলের হামলায় নিহত আয়াতোল্লা খামেনেই । বিষয়টি প্রথমে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু । এবার এই দাবি করল ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যম । তেহরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল ।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই গতকাল শনিবার আটাশে ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন ইজরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযানের নিহত হয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম সুনিশ্চিত করেছে।
ইরান সরকার খামেনেইয়ের মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে । ইসলামী শাসন ব্যবস্থা উৎপাতের লক্ষ্যে শুরু হওয়া দ্বিঘাত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের তেহেরানে শনিবার হামলা চালায় বলে জানানো হয়েছে । এবং সেই হামলার জেরেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি । ইজরায়েল সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই অভিযানে ইরানের একাধিক শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিক ও নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রেভলুশনারি গার্ড কোরের কমান্ডার এবং ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। তিনি লেখেন, “ইতিহাসের অন্যতম দুষ্ট মানুষ খামেনেই মৃত।” তাঁর দাবি, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রথম দফার হামলাতেই তেহরানে অবস্থিত সুরক্ষিত কমপাউন্ড লক্ষ্য করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে খামেনেইকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়।
ট্রাম্প আরও বলেন এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায় বিচার নয় বরং বিশ্বজুড়ে যারা খামেনেই ও তার গোষ্ঠীর সাথে নিহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য ন্যায় প্রতিষ্ঠা । মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্ভুল ও ভারী বোমাবর্ষণ প্রয়োজন হলে অব্যাহত থাকবে।
ট্রাম্পের দাবির পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম খামে নেই এর মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে । তাদের বক্তব্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সুস্থ আছেন এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি নিজেই পরিচালনা করছেন । এমনকি বারো দিনের সংজ্ঞা তাই ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে এই দাবিও মিথ্যা। এবার খামেনেই নিহত কিনা তা নিয়ে বিপরীতমুখী দাবি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল কিন্তু পরে ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকেও খামেনেই এর মৃত্যুর সত্যতা স্বীকার করা হয়েছে।
