আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

বাংলায় আসছে ২,৪০০ কোম্পানি বাহিনী, নয়া কৌশলে ‘অপারেশন রুট মার্চ’

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা: রাজ্যে বেজে গিয়েছে ভোটের বাদ্যি। আর বাংলাজুড়ে অবাধ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন সম্পন্ন করতে এবার নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। অশান্তি রুখতে কেবল বুথেই নয়, এবার ভোটারদের বাড়ি পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামছে কমিশন।
​কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন নির্বাচনে সব মিলিয়ে মোট ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বঙ্গে। যা বিগত দিনের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। ​চলতি মাসের শুরুতেই রাজ্যে পা রেখেছে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে আরও ৩০০ কোম্পানি রাজ্যে পৌঁছে যাবে। বাকি বাহিনী ধাপে ধাপে ভোটের আগেই মোতায়েন সম্পন্ন হবে।
​বিপুল এই বাহিনীকে কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে আজ সোমবার এক উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছে কমিশন। ডেপুটি কমিশনার মণীশ গর্গের নেতৃত্বে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বনকুমার শর্মা এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। এরপর ধাপে ধাপে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গেও বৈঠক করে চূড়ান্ত রণকৌশল স্থির করা হবে।
​এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা কেবল বুথকেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে-
হস্তক্ষেপের অধিকার: বুথ এলাকার বাইরেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
পুনর্নির্বাচনের হুঁশিয়ারি: ভোটারকে হুমকি বা ভয় দেখানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে ফের ভোট গ্রহণ করা হবে।
​রুট মার্চ: কলকাতা সহ রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকায় ‘ট্রাবল মঙ্গার’ বা গোলমাল সৃষ্টিকারীদের ডেরা চিহ্নিত করে জোরদার রুট মার্চ চালানো হবে। লালবাজারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বাহিনীকে শহরের রুট ম্যাপ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক নজরে বাংলার ভোট: আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল, দুই দফায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই মেগা নির্বাচন। ছাপ্পা, বুথ দখল বা অশান্তি রুখতে এবার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *