আতঙ্কের’ হরমুজ প্রণালীতে থমকে ভারতের ৩৭ জাহাজ , আটকে প্রায় এক হাজার নৌকর্মী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী । গোটা বিশ্বেই পেট্রোলিয়াম সংকট এর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে ভারতের ৩৭ টি জাহাজ । ১ হাজার নৌকর্মী সেই সাথে আটকে রয়েছেন । জানা যাচ্ছে, পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং সংলগ্ন সমুদ্রে আটকে রয়েছে তারা। এই খবর ভারতের কাছে অত্যন্ত উদ্বেগের।
সূত্রের খবর,আটকে পড়া জাহাজ গুলোর মধ্যে জ্বালানি তেল এবং বাণিজ্যিক পণ্য রয়েছে । কিছু সংখ্যক জাহাজ আবার পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে পেট্রোপণ্য আনতে গিয়ে আটকে রয়েছে। এমতাবস্থায় আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তারা এই সমস্যা মেটানোর জন্য হস্তক্ষেপের আর্জিও জানানো হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।প্রসঙ্গত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধ পঞ্চম দিনে গড়াতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হরমুজ প্রণালী । আগেই ইরানের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল চীন এবং রাশিয়া ছাড়া অন্য কোন দেশের জাহাজকে এই পথ দিয়ে পার করতে দেওয়া হবে না । সেই হুমকি উপেক্ষা করায় দশটি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলা চালানো হয়েছে ইরানের পক্ষ থেকে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, সৌদি আরব ইত্যাদি দেশগুলির পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজগুলি পার করে । এবং পারস্য উপসাগরে পৌঁছে তা গোটা বিশ্বের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে । কিন্তু উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় গোটা বিশ্বের বাজারে তেল সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সম্পূর্ণ পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে ভারতের জাহাজ চলাচল নিয়ামক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংও। হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে তারা। বহুল আলোচিত এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষের বিদেশি জাহাজে থাকা অন্তত তিন ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু হয়েছে । এবং একজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও।
