নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি টোয়েন্টিতে জেতার পর বিস্ফোরক পোস্ট কোচ গম্ভীরের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-কোচ হিসাবে গম্ভীর এই মুহূর্তে অগ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন। টেস্টে তাঁর রেকর্ড রীতিমতো শোচনীয়। সাদা বলের ক্রিকেটে রেকর্ড তুলনামূলক ভাবে ভালো গৌতির । তবে সদ্য সমাপ্ত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ভারত হারায় কিছুটা ব্যাকফুটে তিনি ।গতকাল ২১ শে জানুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-২০ ম্যাচ জেতার পরই রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটালেন কোচ গৌতম গম্ভীর। গভীর রাতের এক টুইটে গম্ভীর ইঙ্গিত করলেন, কোচ হিসাবে তাঁর অসীম ক্ষমতা রয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, সেই দাবি পুরোপুরি ভুল। এখন তাঁকে নিজেদের লোকেদের বিরুদ্ধেই লড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
আসলে কোচ গম্ভীরকে নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। সেখানে গম্ভীরের মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি। থারুর বলেন, “নাগপুরে আমার পুরনো বন্ধু গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বেশ খানিকটা কথা হল। এই লোকটাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর দেশের সবচেয়ে কঠিন চাকরিটা করতে হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে অনেক মানুষ ওকে কটাক্ষ করে। কিন্তু ও নীরবে শান্তভাবে একাগ্রতার সঙ্গে নিজের কাজটা করে যায়। ওঁর নেতৃত্ব দেওয়ার পদ্ধতি এবং একগ্রতার জন্য প্রশংসা প্রাপ্য।”
বুধবার রাতের দিকে থারুরের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টটি শেয়ার করে গম্ভীর বলেন, “অনেক ধন্যবাদ থারুরকে। সব বিতর্ক শেষ হওয়ার পর কোচের অসীম ক্ষমতা নিয়ে যুক্তি এবং সত্যিটা প্রকাশ্যে আসবে। ততদিন আমাকে যেভাবে নিজেদের লোকেদের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিচ্ছে, যারা কিনা নিজেদের জায়গায় সেরা সেটাই আমি বেশ উপভোগ করছি।” গম্ভীরের কথাতেই ইঙ্গিত, যেভাবে দলের মহারথীদের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই চলছে বলে সোশাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়, সংবাদমাধ্যমে লেখালেখি হয়, বা ধারণা তৈরি করা হয়, তার বাস্তবে কোনো সত্যতা নেই। যেভাবে ভারতীয় ক্রিকেট গৃহযুদ্ধ চলছে বলে প্রচার করা হয়, সেসব তাঁকে খুব কষ্ট দেয়।
