আজকের দিনেতিলোত্তমা

চন্দ্রকোনা মামলায় অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন শুভেন্দু

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলাঃ অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আগামী ২৯ তারিখ পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার ঘটনায় পাল্টা বিধানসভার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় হাইকোর্টে সুরক্ষা চেয়ে আবেদন করেন শুভেন্দু। বুধবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতাকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিএপিএফ রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

 বিজেপির  অভিযোগ ছিল, এই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সেই প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবিতে ঘটনার দিন গভীর রাত পর্যন্ত স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থান বিক্ষোভ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি কনভয় হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। তার পরেই স্থানীয় থানার পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে আরও একটি মামলা পৌঁছয় উচ্চ আদালতে।

গত ১০ জানুয়ারি পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে চন্দ্রকোনায় শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ওইদিন রাস্তায় ধারে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা। সেইসময় রাস্তার উল্টোদিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে দাঁড়িয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। শুভেন্দুর অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়।দ্রুত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা শুভেন্দুর গাড়ির সামনে চলে আসেন। ঘটনার পরই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সোজা চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। আইসির রুমে মেঝেতে বসে পড়েন তিনি। ঘণ্টা ছয়েক পর অভিযোগ দায়ের করে থানা ছাড়েন তিনি। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, বাংলাদেশে যেমন হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হচ্ছে, খুন করা হচ্ছে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এখন বাংলায় আক্রমণ করা হচ্ছে বিরোধী দল এবং তার নেতাদের। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘তাঁর কনভয় যাওয়ার সময় একদল দুষ্কৃতী বাঁশ, লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। গাড়ির কাঁচে লাঠি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা হয়।’ সেইসময় তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, কিন্তু অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশ আসেনি বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। ঘটনার পরেই তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে সোজা চলে যান চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়িতে। এই গোটা ঘটনাটিকে ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। পরদিন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পাল্টা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *